ককরোজ জনতা পার্টির পর এবার ‘দিমাগি নকশাল জনতা পার্টি’! মোদীর মন্তব্যের পরই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ছে ফলোয়ার

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

ককরোজ জনতা পার্টির পর এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করল ‘দিমাগি নকশাল জনতা পার্টি’।  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যখন রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই এই নামে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট সামনে আসায় তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

নতুন অ্যাকাউন্টটির নাম ‘দিমাগি নকশাল জনতা পার্টি’ এবং এর এক্স হ্যান্ডেল @DNJP_India।  অ্যাকাউন্টটি চালু হওয়ার পর থেকেই একাধিক পোস্ট করা হয়েছে।  একটি পোস্টে নিজেদের ভগত সিংয়ের অনুসারী হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার চেষ্টা করা হলে বা তাঁদের ‘দেশবিরোধী’ তকমা দেওয়া হলে তা ভগত সিংয়ের প্রতি অসম্মান হবে।

এক্স আইডি আত্মপ্রকাশ এর সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্টটি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় নেতা ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বকে ফলো করছে।  তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ধ্রুব রাঠি, কুণাল কামরা, প্রকাশ রাজ এবং ফ্যাক্ট-চেকার মহম্মদ জুবায়েরের মতো পরিচিত মুখ।

তবে শুধু X-এ নয়, Instagram এও একই নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে।  আর সেখানেই নজর কেড়েছে ফলোয়ার বৃদ্ধির গতি। আত্মপ্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই অ্যাকাউন্টটির অনুসারী সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।  তথ্য অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফলোয়ার সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে যায়, বর্তমান প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার অনুসারী রয়েছে।  ফলে কোনও ঘোষিত রাজনৈতিক দল হিসেবে এর অবস্থান এখনও স্পষ্ট না হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘দিমাগি নকশাল জনতা পার্টি’ নামটি যে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে, তা বলাই যায়।

এই বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।  তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে এই শব্দ ব্যবহার করেননি।  বরং মাওবাদী, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং সংবিধানবিরোধী অবস্থানকে সমর্থনকারী নির্দিষ্ট কিছু মানুষের কথা বলা হয়েছে।

রিজিজুর ব্যাখ্যায়, প্রথমত, যারা মাওবাদীদের সমর্থন করে এবং ভারতীয় সংবিধানকে মানে না, তাদের কথা বলা হয়েছে।  দ্বিতীয়ত, যারা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন করে এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদের পক্ষে অবস্থান নেয়।  তৃতীয়ত, যারা ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর বিচ্ছিন্ন করে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশের বাকি অংশ থেকে আলাদা করার পক্ষে কথা বলে, তাদেরও ওই শ্রেণির মধ্যে রাখা হয়েছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।