★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

নন্দীগ্রাম-রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের, মিলন ও আবদুল্লাহিল কাফির উপর ভরসা

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

ফের ভোটের মুখে বাংলা। আগামী ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এবং মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে।  ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। এরই মধ্যে দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস।  বিজেপি, বাম এবং তৃণমূলের দুই শিবির এখনও প্রার্থী ঘোষণা না করলেও প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে গেল কংগ্রেস।
অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী হচ্ছেন মিলন প্রধান।  রেজিনগর থেকে লড়বেন মহম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি।  দলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দুই প্রার্থীর নাম অনুমোদন করেছেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

দুই কেন্দ্রেই এবার নতুন মুখের উপর ভরসা করেছে কংগ্রেস।  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন জারিয়াতুল হোসেন।  রেজিনগরে দলের হয়ে লড়েছিলেন জিল্লু শেখ। উপনির্বাচনে তাঁদের বদলে মিলন প্রধান এবং মহম্মদ আবদুল্লাহিল কাফিকে প্রার্থী করা হয়েছে।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আবার ভোট হচ্ছে দুই বিধায়কের পদত্যাগের কারণে।  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।  একই নির্বাচনে তিনি ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—দুই কেন্দ্র থেকেই লড়ে জয় পান। পরে ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম থেকে পদত্যাগ করেন।  ফলে ওই আসনটি খালি হয়ে যায়।

নন্দীগ্রাম অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীর জন্য নতুন কোনও রাজনৈতিক ময়দান নয়।  ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও এই কেন্দ্র থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।  ২০২৬-এর ভোটেও নন্দীগ্রাম ধরে রাখার পর এবার তাঁর পদত্যাগের কারণেই সেখানে ফের ভোট হচ্ছে।

রেজিনগরের ছবিটাও অনেকটা একই।  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ বা AJUP-এর প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর রেজিনগর ও নওদা—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন।  পরে নওদা আসনটি রেখে রেজিনগর থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ফলে ওই কেন্দ্রেও উপনির্বাচন অনিবার্য হয়ে পড়ে।

এর মধ্যে বাংলার ভোটের রাজনীতিতে SIR-এর প্রভাবও পুরোপুরি কাটেনি।  ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।  নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিচারিক যাচাইয়ের পর ২৭ লক্ষেরও বেশি ভোটারকে ভোটার তালিকায় ‘যোগ্য নন’ হিসেবে বাদ দেওয়া হয়েছিল।  ৭ এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা ছিল ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩।  এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছিল।  সব মিলিয়ে SIR পর্বে প্রায় ৯১ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, যদিও এর মধ্যে মৃত, স্থানান্তরিত, অনুপস্থিত বা অন্য কারণে বাদ পড়া ভোটারও ছিলেন।

সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, SIR-সংক্রান্ত আপিল ট্রাইব্যুনালগুলিতে নিষ্পত্তি হওয়া ৮২,৭৮২টি মামলার মধ্যে ৭৫,৪৪৩ জনের নাম ফের ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে।  অর্থাৎ নিষ্পত্তি হওয়া ওই মামলাগুলির প্রায় ৯১ শতাংশ ক্ষেত্রেই নাম ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকি ৭,৩৩৯টি ক্ষেত্রে নাম বাদই থেকেছে।

এদিকে কমিশনের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।  ১৭ সেপ্টেম্বর হবে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা।  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর।  এরপর ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ভোটগণনা।

এখন দেখার, বিজেপি, তৃণমূল, বাম এবং অন্য দলগুলি এই দুই কেন্দ্রে কাকে প্রার্থী করে।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।