আর থাকবে না ওএমআর শিট, আগামী বছর থেকে সম্পূর্ণ কম্পিউটার ভিত্তিক হতে চলেছে নিট পরীক্ষা; কম্পিউটার কিভাবে হবে পরীক্ষা জানুন

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা বা নিট (NEET-UG) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার।  এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন যে, আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা আর কলম-কাগজ বা ওএমআর (OMR) শিটে হবে না।  এর পরিবর্তে এই পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার ভিত্তিক বা কম্পিউটার বেসড টেস্ট (CBT) মোডে নেওয়া হবে।  পরীক্ষার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জালিয়াতি রুখতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

মূলত গত ৩ মে অনুষ্ঠিত হওয়া নিট ২০২৬ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পরেই সরকার সেই পরীক্ষা বাতিল করে দেয়।  বর্তমানে সেই বাতিল হওয়া পরীক্ষাটি আগামী ২১ জুন হবে বলে জানিয়েছে।  ভবিষ্যতে যাতে এই ধরণের কোনো নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় এবং পরীক্ষার মান অক্ষুণ্ণ থাকে, তা নিশ্চিত করতেই ওএমআর শিট পদ্ধতি বাতিল করে ডিজিটাল পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে কেন্দ্র।

সিবিটি (CBT) পরীক্ষা হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার একটি আধুনিক পদ্ধতি, যার পুরো নাম কম্পিউটার-বেসড টেস্ট (Computer-Based Test)।  এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীকে কোনো খাতা-কলম ব্যবহার করতে হয় না কিংবা ওএমআর (OMR) শিটের ঘর কালো করতে হয় না; বরং তাকে একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে নিজের নির্ধারিত আসনে বসতে হয়।  পরীক্ষার্থীর সামনে থাকা কম্পিউটার এবং মাউসের সাহায্যেই মূলত এই পরীক্ষাটি দিতে হয়।  কম্পিউটার স্ক্রিনেই প্রশ্ন এবং তার সম্ভাব্য চার-পাঁচটি বিকল্প উত্তর দেখা যায়, যেখান থেকে সঠিক উত্তরটি মাউস দিয়ে ক্লিক করে বেছে নিতে হয়।

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে যেকোনো সময় ভুল উত্তর পরিবর্তন করে নতুন উত্তর বেছে নেওয়া যায়, যা প্রথাগত ওএমআর শিটের পরীক্ষায় সম্ভব ছিল না।  এছাড়া, স্ক্রিনের এক কোণায় একটি ডিজিটাল ঘড়ি বা টাইমার চলতে থাকে, যা পরীক্ষা শেষ হতে আর কত সময় বাকি আছে তা পরীক্ষার্থীরা জানতে পারবে।  কম্পিউটারে পরীক্ষা হলেও গণিত (Rough) করার জন্য পরীক্ষার হল থেকেই পরীক্ষার্থীদের আলাদা কাগজ ও কলম দেওয়া হয়।  সবশেষে, পরীক্ষার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়া মাত্রই কম্পিউটার স্ক্রিনটি নিজে থেকে লক হয়ে যায় এবং সমস্ত উত্তর নিজে থেকেই সিস্টেমে জমা বা সাবমিট হয়ে যায়।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।