আবার কি স্মার্টফোনেই চলবে পড়াশোনা? হঠাৎ কেন অনলাইন ক্লাসের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

স্কুল-কলেজ যাওয়ার দিন কি তবে আবারও ফুরিয়ে এল? ছাত্রছাত্রীদের কি আবারও বই-খাতা নিয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপের সামনে বসতে হবে? প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক আহ্বানে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সারা দেশে।  লকডাউন বা করোনা না থাকলেও, কেন হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী মোদি আবার অনলাইন ক্লাসের কথা বলছেন? এর নেপথ্যে রয়েছে এক চাঞ্চল্যকর কারণ।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার এই উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহের ওপর।  তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতিতে বড় চাপ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, এই সংকট মোকাবিলায় আমাদের এখনই সতর্ক হতে হবে।  আর সেই কারণেই জ্বালানি খরচ কমাতে তিনি প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন।

সোমবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় আমরা যেভাবে অনলাইন ক্লাস এবং ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে অফিসের কাজ করেছিলাম, সেই অভিজ্ঞতাকে আবারও কাজে লাগানোর সময় এসেছে।  এদিন প্রধানমন্ত্রী কিছু স্কুলকে অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের পেছনে থাকা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়।

পাশাপশি, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মীদের জন্য ফের বাড়ি থেকে কাজ বা ভার্চুয়াল মিটিংয়ের ওপর জোর দিতে বলেছেন তিনি।

শুধু তেল নয়, আগামী এক বছর সোনা কেনা বা বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার মতো বিষয়েও দেশবাসীকে সংযত হতে অনুরোধ করেছেন তিনি, যাতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রক্ষা পায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, “পশ্চিম এশিয়ার এই সংকট গত দশকের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু যেভাবে আমরা সবাই মিলে কোভিড অতিমারিকে হারিয়েছি, সেভাবেই এই কঠিন পরিস্থিতি থেকেও ভারত ঠিক বেরিয়ে আসবে।

আপাতত এটি বাধ্যতামূলক কোনো নির্দেশ নয়, বরং একটি বিশেষ অনুরোধ।  যদি স্কুল ও অফিসগুলো প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানে সাড়া দেয়, তবে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কমবে এবং পেট্রোল-ডিজেলের ব্যবহার অনেকটাই সাশ্রয় হবে।  এতে একদিকে যেমন পরিবেশের দূষণ কমবে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশের ওপর তার প্রভাব কম পড়বে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।