ভারত ছাড়ার হুমকি হোয়াটসঅ্যাপ! তাহলে কি ভারত ছাড়ছে হোয়াটসঅ্যাপ,বিস্তারিত জানুন।

Ealiash Rahaman
google_news
সব খবর মোবাইলে পেতে ফলো করুন গুগুল নিউজ

WhatsApp In India: আধুনিক বিশ্বে হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া জীবন কল্পনা করা কঠিন এবং এটি আমাদের ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলায় আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা জানিয়েছেন, সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ‘হোয়াটসঅ্যাপ’ ।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কেন ভারত ছেড়ে চলে যেতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ?

সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম WhatsApp সতর্ক করেছে যে যদি এটির এনক্রিপশন ভাঙার চেষ্টা করা হয়, তবে এটি ভারতে তার পরিষেবাগুলি বন্ধ করে দেবে (হোয়াটসঅ্যাপ আইটি রুলস ব্রেকিং এনক্রিপশন)। জনপ্রিয় মেসেজিং‌ প্লাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে , end-to-end encryption সুবিধার জন্য লোকজন এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। ফলে এই এনক্রিপশন ভাঙলে তা ব্যবহারকারীদের বিশ্বাসভঙ্গে সামিল হবে।

এনক্রিপশন(encryption )কি?

WhatsApp এনক্রিপশন ব্যবহার করে যাতে ব্যবহারকারীরা মেসেজ, ফটো, ভিডিও, এবং অন্যান্য ডেটা গোপন রাখতে পারেন। যখন একটি মেসেজ পাঠানো হয়, সেটি স্থানীয়ভাবে এনক্রিপ্ট করা হয় এবং কেবল যে‌ পাঠিয়েছে এবং যাকে‌ পাঠিয়েছে  সে মেসেজটি দেখতে  পারেন। এটির একটি সহজ উদাহরণ হলো একজন বন্ধু একটি মেসেজ পাঠিয়েছে আপনাকে, “শুভ রাত্রি”। এই মেসেজ এনক্রিপ্ট করা হয় এবং কেবল বন্ধুর ডিভাইস এবং আপনার ডিভাইসে আপনার বন্ধুর মেসেজটি দেখার অনুমতি দেওয়া হয়। কোনো অন্য ব্যক্তি বা সার্ভার মেসেজটি পড়তে পারে না কারণ তারা এনক্রিপ্ট কোড জানে না। এটাই এনক্রিপশন।

২০২১ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত তথ্যপ্রযুক্তি নিয়মে । তাতে বলা হয়েছিলো, এক্স, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াট্‌সঅ্যাপের মতো সমাজমাধ্যমগুলিকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রয়োজনে চ্যাট অনুসরণ করে কোনও ভাইরাল তথ্যের উৎস সন্ধান করতে হবে।
একজন ব্যবহারকারীর ব্যবহারী একটা মেসেজ যখন‌ হোয়াটসঅ্যাপে প্রেরন করে  কোথা আসলো মেসেজটি এবং কে পাঠিয়েছে কবে পাঠিয়ে ঐসব গোপনীয় বিষয়ের তথ্যের সন্ধান দিতে হবে কেন্দ্রকে।

সম্প্রতি জনপ্রিয় মেসেজিং‌ প্লাটফর্ম  হোয়াটসঅ্যাপের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে , end-to-end encryption সুবিধার জন্য লোকজন এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। ফলে এই এনক্রিপশন ভাঙলে তা ব্যবহারকারীদের বিশ্বাসভঙ্গে সামিল হবে।

হাইকোর্ট বলেছেন, এ বিষয়ে মধ্যম পথ খুঁজে বের করতে হবে। আগামী ১৪ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।