মসজিদের মাইক কেন খুলছে পুলিশ? ডিজিপির কাছে জবাব চাইলেন নওশাদ সিদ্দিকী; ব্যাখ্যা না মিললে আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মসজিদের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম (পিএ সিস্টেম) বা মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজিপি)-কে চিঠি দিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।  এ দিন বুধবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে চিঠিটি পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁর কাছে অভিযোগ এসেছে যে, স্থানীয় পুলিশ মসজিদ কর্তৃপক্ষকে মাইক খুলে ফেলতে বা ব্যবহার বন্ধ করতে নির্দেশ দিচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, একাধিক ক্ষেত্রে এই নির্দেশের পক্ষে কোনও লিখিত আদেশ বা আইনি ভিত্তিও দেখানো হচ্ছে না।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

চিঠিতে নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইন এবং আদালতের নির্দেশ মানার বিষয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।  তবে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাইক খোলার নির্দেশ দেওয়া হলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রশাসনিক নিয়ম মেনেই হওয়া উচিত।  লিখিত নির্দেশ ছাড়া মৌখিকভাবে মাইক খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের কারণ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

এছাড়াও চিঠিতে নওশাদ সিদ্দিকী দাবি করেন, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।  বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানিয়ে তিনি ডিজিপির কাছে জানতে চেয়েছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ কোনও সরকারি নির্দেশের ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে কি না।  যদি হয়ে থাকে, তবে সেই নির্দেশের অনুলিপি এবং আইনের ভিক্তি প্রকাশ করারও আবেদন জানান।

এক‌ইসঙ্গে সাধারণ মানুষকে শান্ত ও সংযত থাকার আহ্বান জানান।  তিনি বলেন, কোনওরকম প্ররোচনা বা চক্রান্তে পা দেবেন না।  পাশাপাশি জানান, প্রশাসনের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না মিললে বিষয়টি আদালতে তুলে আইনি লড়াইয়ের পথেই এগোনো হবে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।