যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো মার্চ মাসের ১৫০০ টাকা পাননি? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই যুবসাথী প্রকল্পের আবেদনকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মার্চ মাসের ভাতা পাঠানোর কাজ শুরু করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে চালু হওয়া এই যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে সরাসরি তাদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেয়ে থাকেন। যদি এখনো আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা না পৌঁছায়, তাহলে কবে পাবেন টাকা? কি কারনে টাকা পেতে সময় লাগছে কিছু আবেদনকারীর জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রঘুনাথপুরের ইনানপুর ফুটবল মাঠের জনসভা থেকে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে বড় বার্তা দিলেন। যাদের এখনও যুবসাথীর টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি, তারা কবে টাকা পাবেন এবং কেন দেরি হচ্ছে—এই সমস্ত বিষয়েই এদিন সভা থেকে বিস্তারিতভাবে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
বাংলার যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ থাকা বাধ্যতামূলক। এই প্রকল্পের সুবিধা যাঁরা এখনও পড়াশোনা করছেন কিংবা পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন সকলেই। এছাড়াও সরকারি চাকরি করেন না এবং স্কলারশিপ ছাড়া অন্য কোনো সরকারি প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না তারা সকলেই আবেদনের যোগ্য। অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতেই এই নতুন প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি বেকার ছেলে-মেয়েরা আবেদন জানিয়েছেন।
এদিন রঘুনাথপুরের ইনানপুর জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যুবদের পাশে জীবিকার আশ্বাস দিতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। তারা যাতে পড়াশোনা করতে পারে এবং ভবিষ্যতে চাকরি পায়—সেই লক্ষ্যেই এই সহায়তা। এটা ভাতা নয়, এটা ভিক্ষা নয়—এটা তাদের অধিকার। তাদের পকেট খরচের জন্য এই টাকা দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান,
“আমরা আগে কাজ করি, তারপর বলি। যাদের টাকা এখনও বাকি রয়েছে, তাদের প্রসেস চলছে। তারাও খুব শীঘ্রই টাকা পেয়ে যাবেন।” সুতরাং, যারা এখনও যুবসাথীর টাকা না পাওয়া নিয়ে চিন্তিত, তাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সকল যোগ্য আবেদনকারীকে এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হবে। যাদের টাকা এখনও আটকে রয়েছে, তাদের প্রক্রিয়া চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারা টাকা পেয়ে যাবেন।

