“মুসলিমদের মর্যাদা নিয়ে আপস নয়”, ভিডিও ভাইরাল হতেই হুমায়ূনের সঙ্গে জোট ছিন্ন করে একা লড়ার ডাক মিমের!

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড়সড় ওলটপালট ঘটে গেল বাংলার সংখ্যালঘু রাজনীতিতে।  ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের ভাইরাল ভিডিও বিতর্ক এবার ফাটল ধরাল তাঁর নির্বাচনী জোটেও।  ‘মুসলিমদের মর্যাদা নিয়ে আপস করা সম্ভব নয়’—এই যুক্তি দিয়ে হুমায়ূন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) সঙ্গে জোট ছিন্ন করার ঘোষণা করল আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল AIMIM (মিম)।  ২০২৬-এর নির্বাচনে এখন থেকে রাজ্যে একলা চলার ডাক দিয়েছে তারা।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

সম্প্রতি হুমায়ূন কবীরের ১৯ মিনিট ১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে মুসলিম ভোট ভাগাভাগি এবং বিপুল অর্থের লেনদেন সংক্রান্ত বিস্ফোরক দাবি শোনা যায়।  যদিও হুমায়ূন একে ‘AI ডিপফেক’ বলে দাবি করেছেন, কিন্তু মিম নেতৃত্ব তা মানতে নারাজ।  মিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলার মুসলিমরা অত্যন্ত দরিদ্র এবং অবহেলিত।  হুমায়ূন কবীরের ভাইরাল ভিডিওতে যেভাবে মুসলিম সমাজের সততা ও মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মিম তার দায়ভার নেবে না।  সংখ্যালঘু সমাজের স্বাধীন কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই এই জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।

উল্লেখ্য যে, গত ১ এপ্রিল বহরমপুরে হুমায়ূনের সঙ্গে বিশাল জনসভা করেছিলেন ওয়েইসি।  সেই সময় জোটবদ্ধভাবে ১২ জন প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে মিম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর কোনও দলের লেজুড় হয়ে থাকবে না।  ঘোষিত প্রার্থীরা এখন মিমের নিজস্ব প্রতীক নিয়েই ময়দানে নামবেন এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনও দলের সাথে জোট করার আর কোনও সম্ভাবনা নেই।

ভোটের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে এই জোটে ভাঙন হুমায়ূন কবীরের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।  সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে যে ‘মিনি মহাজোট’ গড়ার চেষ্টা হয়েছিল, তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হলো।

 

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।