সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকেই বিতর্ক পিছু ছাড়েনি জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। সম্প্রতি নিউটাউনে মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে পথচারীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। যদিও বারাসাত আদালত থেকে তিনি ১,০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়ে যান, তবে বারবার আইনভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নাম জড়ানো এই আধিকারিককে নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে।
এর আগে সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনের মামলায় রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের আত্মসমর্পণের নির্দেশের পর তিনি দীর্ঘ সময় পলাতক ছিলেন। আদালতের নির্দেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য প্রশাসন তাঁকে রাজগঞ্জের বিডিও পদ থেকে সরিয়ে দেয় এবং তাঁর জায়গায় রাজগঞ্জের তৎকালীন যুগ্ম বিডিও সৌরভকান্তি মণ্ডলকে নতুন বিডিও হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হল এই ঘটনার চার মাস পেরিয়ে গেলেও, জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ডিরেক্টরি ‘Who’s Who‘ পেজে রাজগঞ্জের বিডিও হিসেবে এখনও “Shri Prasanta Barman, WBCS (EXE)” র নাম এবং তাঁর অফিশিয়াল ইমেল আইডি জ্বলজ্বল করছে।
এই ঘটনার পর থেকে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, নতুন বিডিও সৌরভকান্তি মণ্ডল যখন দায়িত্ব সামলাচ্ছেন, তখন সাধারণ মানুষ কেন ভুল ডিরেক্টরি দেখে প্রতারিত বা হয়রানির শিকার হবেন? যা নিয়ে জেলা জুড়ে চরম প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে।

