২০২৮ থেকে বদলে যাচ্ছে বাংলার স্কুল শিক্ষা! প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে আসছে নতুন সিলেবাস, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
Education Minister- Dipak Barman
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের স্কুল শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য সরকার।  ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নতুন পাঠ্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।  জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP 2020) অনুযায়ী নতুন সিলেবাস, নতুন বই এবং শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই নতুন সিলেবাস তৈরি করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য জানান রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

শিক্ষা মন্ত্রীর কথায়, সময়ের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের চাহিদা ও ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রের কথা মাথায় রেখেই নতুন পাঠ্যসূচি তৈরি করা হবে।  এই নতুন শিক্ষা নীতিতে শুধু মুখস্থবিদ্যার বাইরে দক্ষতা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং কর্মমুখী শিক্ষার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।  পাশাপাশি পড়ুয়াদের উপর পড়াশোনার অযথা চাপ কমানোর দিকেও নজর রাখা হবে।

এছাড়াও এ দিন স্কুল ইউনিফর্ম ও স্কুল ভবনের রং নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।  তিনি জানান, প্রতিটি বিদ্যালয় তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য অনুযায়ী ইউনিফর্ম ও ভবনের রং বেছে নিতে পারবে।  কোনও স্কুল চাইলে তাদের পুরনো ইউনিফর্ম বা রংও ফিরিয়ে আনতে পারবে।  তবে নীল-সাদা রং রাখতে কোনও বাধা নেই।  শুধু স্কুল ভবনে আর ‘বিশ্ববাংলা‘র লোগো ব্যবহার করা হবে না।

এদিন এনআইওএস (NIOS) এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশনের একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, এর ফলে পরিযায়ী শ্রমিকদের সন্তান এবং বিভিন্ন কারণে স্কুলছুট হয়ে যাওয়া পড়ুয়ারা বিশেষভাবে উপকৃত হবে।  তারা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গেলেও এনআইওএস এর মাধ্যমে একই ভাষায় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে।  এছাড়া ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ কার্যত বিনামূল্যে থাকবে।

শিক্ষক বদলি নিয়েও নতুন নীতির কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।  তিনি বলেন, কোনও স্কুলে অনুমোদিত শিক্ষকের ৭০ শতাংশের কম থাকলে সেই স্কুল থেকে আর শিক্ষক বদলি করা হবে না।  যেসব স্কুলে শিক্ষক বেশি রয়েছে, সেখান থেকে শিক্ষকসংকট থাকা বিদ্যালয়ে র‍্যাশনালাইজেশনের মাধ্যমে শিক্ষক পাঠানো হবে।  পাশাপাশি কম বয়সি শিক্ষকদের বদলিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে বেশি বয়সি শিক্ষকদের দীর্ঘ পথ যাতায়াতের সমস্যা কমে।

সব মিলিয়ে, ২০২৮ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।  তবে নতুন সিলেবাসে ঠিক কী কী পরিবর্তন হবে, তা সিলেবাস কমিটির সুপারিশের পরই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে বলে জানায়।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।