বিধানসভা ভোটের আগে বদলে গেল কলকাতার কমিশনারসহ ১২ জেলার জেলাশাসক! তালিকায় কারা?

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

বিধানসভা ভোটের আগেই এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।  আজ নির্বাচন কমিশন রাজ্যের ১২ জেলার জেলাশাসক (DM) এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।  মূলত
২০২৬-এর বিধানসভা ভোট যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তার জন্য এই রদবদল।  এই খবরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

কমিশনের এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে নতুন দায়িত্ব নিতে চলছে।  কোচবিহারের জেলাশাসক হিসেবে জিতিন যাদব, জলপাইগুড়িতে সন্দীপ ঘোষ, উত্তর দিনাজপুরে বিবেক কুমার, মালদহে রাজনবীর সিং কাপুর, দার্জিলিংয়ে হরিশঙ্কর পানিক্কর এবং আলিপুরদুয়ারে টি বালাসুব্রহ্মণ্যমকে নিয়োগ করা হয়েছে।  একইভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে মুর্শিদাবাদে আর অর্জুন, নদীয়ায় শ্রীকান্ত পাল্লী, পূর্ব বর্ধমানে শ্বেতা আগরওয়াল, উত্তর ২৪ পরগনায় শিল্পা গৌরীসারিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অভিষেক কুমার তিওয়ারিকে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কলকাতার ক্ষেত্রেও বড় রদবদল চোখে পড়েছে। কলকাতা পুরসভার বর্তমান কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে কলকাতা উত্তরের নির্বাচনী দায়িত্ব (DEO) দেওয়া হয়েছে।  আর কলকাতা দক্ষিণের নির্বাচনী দায়িত্ব সামলানোর ভার দেওয়া হয়েছে রণধীর কুমারকে।

এছাড়াও আগামীকাল ১৯ মার্চ, ২০২৬ দুপুর ৩টের মধ্যে এই অফিসারদের নতুন জায়গায় কাজে যোগ দিতেও বলা হয়েছে।

শুধু যোগ দেওয়াতে শেষ না, এই যোগদান প্রক্রিয়ার একটি সম্মতিসূচক রিপোর্ট (Compliance Report) দ্রুত পাঠাতে বলা হয়েছে নবান্নকে।  আরও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যাঁদের এই পদগুলো থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো, ভোটের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা নির্বাচনের কোনো কাজের সঙ্গেই বিন্দুমাত্র যুক্ত থাকতে পারবেন না।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।