শনিবার বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ আচমকাই একযোগে আর্তনাদ করে উঠল দেশের লক্ষ লক্ষ স্মার্টফোন। ঝনঝনানি আর তীব্র কম্পনে যখন সাধারণ মানুষের মধ্যে হ্যাকিং বা যান্ত্রিক ত্রুটির আতঙ্ক দানা বাঁধছে, ঠিক তখনই পর্দার ওপর ভেসে উঠল বড় হরফের এক বিশেষ সতর্কবার্তা।
তবে কোনও যান্ত্রিক বিভ্রাট নয়, বরং দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থাপনায় এক নয়া মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। কেন্দ্রীয় টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (NDMA) যৌথ উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হল ‘সেল ব্রডকাস্ট’ প্রযুক্তির মহড়া। এই সাফল্যের হাত ধরে ভারত বিশ্বের সেই প্রথম সারির ৪৫টি দেশের ক্লাবে প্রবেশ করল, যাদের হাতে নাগরিকদের বিপদের আগাম বার্তা সরাসরি মোবাইলে পৌঁছে দেওয়ার নিজস্ব স্বদেশি প্রযুক্তি রয়েছেতবে কোনও যান্ত্রিক বিভ্রাট নয়, বরং দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থাপনায় এক নয়া মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত।
কেন্দ্রীয় টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (NDMA) যৌথ উদ্যোগে সফলভাবে সম্পন্ন হল ‘সেল ব্রডকাস্ট’ প্রযুক্তির মহড়া। এই সাফল্যের হাত ধরে ভারত বিশ্বের সেই প্রথম সারির ৪৫টি দেশের ক্লাবে প্রবেশ করল, যাদের হাতে নাগরিকদের বিপদের আগাম বার্তা সরাসরি মোবাইলে পৌঁছে দেওয়ার নিজস্ব স্বদেশি প্রযুক্তি রয়েছে।
প্রথাগত এসএমএস পরিষেবার তুলনায় এই নতুন প্রযুক্তি বহুগুণে শক্তিশালী এবং কার্যকরী। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্যাম হয়ে পড়ে, তখন এই ব্যবস্থা কাজ করবে মূলত রেডিও তরঙ্গের ওপর ভিত্তি করে। এমনকি ফোনে সিগন্যাল না থাকলেও বা ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সেকেন্ডের মধ্যে কয়েক কোটি মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
এই ব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকলেও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে তা উচ্চস্বরে সাইরেন বাজাতে সক্ষম। মূলত ভূমিকম্প, হড়পা বান বা ঘূর্ণিঝড়ের মতো হঠাৎ ধেয়ে আসা বিপদ থেকে গভীর ঘুমে মগ্ন মানুষকেও সজাগ করে তোলাই এই প্রযুক্তির লক্ষ্য।
এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ‘সচেত’ (SACHET) নামক একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আবহাওয়া দপ্তরের লাল বা কমলা সতর্কবার্তা এই পোর্টালের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে নির্দিষ্ট এলাকার টাওয়ারে ছড়িয়ে পড়বে, যা কয়েক কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচাতে অত্যন্ত সহায়ক হয়ে উঠবে।

