ভোটাভুটিতে হারল মোদি সরকার; পাশ হলো না নারী সংরক্ষণ বিল, জয় দেখছেন রাহুল গান্ধী

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

দেশের রাজনীতিতে এক অবাক করা কাণ্ড ঘটে গেল।  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতেই লোকসভায় হেরে গেল সরকারি দল।  নারী সংরক্ষণ বিল’ পাস করার জন্য যে পরিমাণ ভোট দরকার ছিল, সরকার তা জোগাড় করতে পারেনি। ফলে ২০২৯ সাল থেকে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের যে পরিকল্পনা ছিল, তা আপাতত আটকে গেল।
এদিন সংসদে ৫২৮ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।  নিয়ম অনুযায়ী বিলটি পাস করতে ৩৬০টি ভোটের দরকার ছিল।  কিন্তু সরকারের পক্ষে ভোট পড়েছে ২৯৮টি, আর বিপক্ষে পড়েছে ২৩০টি।  অর্থাৎ, পাসের জন্য আরও ৬২টি ভোটের অভাব ছিল।  পর্যাপ্ত ভোট না থাকায় লোকসভার স্পিকার বিলটি বাতিল করে দেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এই ঘটনাকে মোদি সরকারের বড় হার হিসেবে দেখছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।  তিনি একে ‘সংবিধানের জয়‘ বলে মন্তব্য করেছেন।  বিরোধীদের দাবি, সরকার নারী সংরক্ষণের নাম করে আসলে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল।  এই বিলের সাথে সাথে লোকসভার আসন বাড়ানো নিয়ে আরও দুটি প্রস্তাব ছিল।  কিন্তু মূল বিলটিই বাতিল হয়ে যাওয়ায় সরকার অন্যগুলো নিয়েও আর এগোতে পারছে না।  সব মিলিয়ে পুরো বিষয়টি এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

এদিন নিজস্ব এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনায় মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেছেন যে, লোকসভায় এই বিলের পরাজয় বিজেপির দুর্বলতাকে সবার সামনে এনে দিয়েছে।  তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৩ সালেই নারী সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছিল এবং ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে তা কার্যকর হওয়ার কথা।  সরকার যদি সত্যিই মহিলাদের সম্মান দিতে চায়, তবে টালবাহানা না করে এখনই ৩৩ শতাংশ আসন নির্দিষ্ট করার কাজ শুরু করা উচিত।  অভিষেক দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস শুধু মুখে নয়, কাজেও করে দেখিয়েছে; কারণ বর্তমানে তাদের সংসদ সদস্যের ৪১ শতাংশই নারী।  তাঁর মতে, নারী সংরক্ষণের আড়ালে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০-এ বাড়িয়ে সরকার আসলে নিজের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল, যা বিরোধীরা আটকে দিয়েছে। অভিষেক কটাক্ষ করে বলেন, মোদি সরকারের হাতে সময় কমে আসছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।