মাত্র ভূকম্পনে কেঁপে উঠল খাস উত্তরের জেলা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলো।
সূত্রে প্রাপ্ত সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রাজ্যে পরপর দুটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রথম কম্পনটির উৎসস্থল প্রতিবেশী রাজ্য অসম, যেখানে রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৫.৭। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় তীব্র ঝাঁকুনি ছড়ায় উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে।
দ্বিতীয় এই কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল সীমান্ত পারের দেশ ভুটানের পুনাখা থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে এবং রিখটার স্কেলে এর প্রাবল্য রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৪। মাঝরাতের এই জোড়া ধাক্কায় কলকাতার বহুতল আবাসন থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক জেলা সর্বত্রই সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাসিন্দারা তড়িঘড়ি ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
অনেকেই জানিয়েছেন, বেশ কিছুক্ষণ ধরে স্থায়ী এই দুলুনি স্পষ্ট অনুভব করা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বিস্তৃতি ছিল সুদূরপ্রসারী। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং চীনের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডও এই একই সময়ে তীব্রভাবে কেঁপে উঠেছে। মাঝরাতের এই আকস্মিক ও তীব্র ঝাঁকুনিতে আন্তর্জাতিক স্তরেও সাধারণ মানুষের মনে গভীর ত্রাস ও শঙ্কার পরিবেশ তৈরি হয়।
তবে স্বস্তির বিষয় এই যে, প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে বা প্রতিবেশী দেশগুলোতে কোনো বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের সুনির্দিষ্ট খবর মেলেনি।

