স্কুলের কাজের পর নয়, ‘অন ডিউটি’ হিসেবেই জনগণনা! ৩ অগস্টের নির্দেশ প্রত্যাহার রাজ্যের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বড় স্বস্তি।  জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর।  একই সঙ্গে ৩ অগস্ট জারি করা সেই নির্দেশিকাও প্রত্যাহার করা হয়েছে, যেখানে স্কুলের নিয়মিত কাজ শেষ করার পর শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

মূলত, ১৬ অগস্ট থেকে জনগণনার কাজ শুরু হওয়ার পর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুলের পঠনপাঠনের পাশাপাশি এই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছিল।  অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকার অভিযোগ ছিল, স্কুলে ক্লাস নেওয়ার পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার কাজ করা অত্যন্ত কঠিন।  এই বিষয়টি নিয়ে ৩১ জন প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষকরা একই সঙ্গে স্কুলের কাজ এবং জনগণনার দায়িত্ব কীভাবে সামলাবেন।  মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্য ও কেন্দ্রের অবস্থানেও পার্থক্য সামনে আসে।  রাজ্যের বক্তব্য ছিল, স্কুলের পঠনপাঠন যাতে ব্যাহত না হয়, তাই স্কুলের সময়ের বাইরে জনগণনার কাজ করানো হচ্ছে।  কেন্দ্রের তরফে আবার জানানো হয়, জনগণনার কাজে শিক্ষকদের স্বাভাবিক কর্মদিবসেই ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর পরেই নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে রাজ্য।  এখন জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা ‘অন ডিউটি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।  তবে শিক্ষকরা জনগণনার কাজ থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন না।  জনগণনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের কাজের সময় ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে।

পাশাপাশি, জনগণনার কাজে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যুক্ত করলেও স্কুলের পঠনপাঠন যাতে কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।  হাইকোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি আপাতত মুলতুবি রয়েছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।