খড়্গপুরের পর এবার কোচবিহার! রাজ্যের দ্বিতীয় IIT নিয়ে বড় দাবি, কী জানালেন স্পিকার?

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

উত্তরবঙ্গে একটি নতুন IIT (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) গড়ে তোলার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।  তবে বাজেটে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ঠিক কোন জেলায় হবে, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।  এরই মধ্যে কোচবিহারের নাম সামনে এনে বড় দাবি করলেন রাজ্যের বিধানসভার স্পিকার তথা কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসু।  তাঁর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গের প্রস্তাবিত IIT কোচবিহারেই হচ্ছে।  এ বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং উপযুক্ত জমিও খোঁজা হচ্ছে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

রবিবার জাতীয় পোলিও দিবস উপলক্ষে কোচবিহার শহরের ল্যান্সডাউন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন রথীন্দ্রনাথ বসু।  সেখানে শিশুদের পোলিওর দুই ফোঁটা ওষুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।  অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্পিকার বলেন, কোচবিহারে IIT প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এখন আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।  খুব দ্রুত এই প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়ার জন্য চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

রথীন্দ্রনাথ বসুর দাবি, কোচবিহার একসময় ভিক্টোরিয়া কলেজ-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান নাম অর্জন করেছে।  তিনি বলেন, জেলার জেনকিন্স স্কুল, সুনীতি অ্যাকাডেমি সহ নামিদামি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যজুড়ে সুনাম অর্জন করেছে।  তাঁর মতে, কোচবিহারে একটি IIT প্রতিষ্ঠা হলে জেলার সেই হারানো গৌরব আবার ফিরে আসবে এবং উত্তরবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা উচ্চমানের প্রযুক্তি শিক্ষার আরও বড় সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে একমাত্র IIT রয়েছে খড়্গপুরে, যা দেশের প্রথম IIT হিসেবেও পরিচিত।  তাই কোচবিহারে যদি দ্বিতীয় IIT গড়ে ওঠে, তাহলে উত্তরবঙ্গের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।  পাশাপাশি কর্মসংস্থান, গবেষণা, শিল্প এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।