ফাইনাল ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে বড় আপডেট; মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ডকে সাপ্লিমেন্ট প্রুফ মানল আদালত, SIR-এ নতুন মোড়

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) জটিল আবর্তে শেষমেশ হস্তক্ষেপ করল দেশের শীর্ষ আদালত।  বুধবার এমন‌ই নির্দেশ দিল।  রাজ্যে ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের (দশম শ্রেণি) অ্যাডমিট কার্ড এখন থেকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে। আধার কার্ডও পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

বিশেষত, জন্মতারিখ এবং অভিভাবকের নাম প্রমাণের ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেটের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড জমা দিলে তা গ্রহণ করতেই হবে নির্বাচন কমিশনকে।  চূড়ান্ত বা ফাইনাল তালিকা প্রকাশের মাত্র তিন দিন আগে এমনই যুগান্তকারী রায় দিলেন আদালত।

এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিপুল এম. পাঞ্চোলি নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি.এস. নাইডুর আপত্তি শুনে এই ক্ল্যারিফিকেশন দেন।  আদালত সূত্রে জানা গেছে, “মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে জন্মতারিখ থাকে, পাস সার্টিফিকেটে তা উল্লেখ থাকে না।  তাই দু’টো একসঙ্গে দিলে এটা সহায়ক হিসেবে থাকবে। ” এছাড়া আধার কার্ডকে পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে, যা আদালতের পুরনো নির্দেশ (সেপ্টেম্বর ২০২৫) অনুসারে বহাল রয়েছে।
এতে করে যেসব ভোটারের বিশেষ করে যাঁদের কাছে অন্যান্য জন্মপ্রমাণ নেই তাঁরা উপকৃত হবেন বলে জানান।

রাজ্যের ভোটার তালিকায় প্রায় ৮০ লক্ষ নথির অসঙ্গতি কাজের যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে।  যদিও এই সমস্যা রোধ করতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।  বর্তমানে কর্মরত ২৫০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের পক্ষে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ শেষ করা প্রায় অসম্ভব বুঝে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  প্রয়োজনে তিন বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিভিল জাজদেরও এই কাজে যোগ করা যাবে।  এই আধিকারিকদের থাকা ও যাতায়াতের যাবতীয় খরচ বহন করবে নির্বাচন কমিশন।  এমনকি, কাজের গতি বাড়াতে এ রাজ্যে কর্মরত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সব ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়াও শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়া যে সমস্ত নথি এখনও সিস্টেমে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি আগামী কাল (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার মধ্যে ‘প্রিসাইডিং জুডিশিয়াল অফিসার’দের হাতে তুলে দিতে হবে।  এই নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ‘ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ (ERO) দের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়।

রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এটি বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জয়।”

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।