ডিলিটেড ভোটারদের ভোট দিতে বাধা নেই! বাংলার SIR নিয়ে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষ যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ বা ‘ডিলিট’ করা হয়েছে, তাঁদের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল সুপ্রিম কোর্ট।  আদালত সাফ জানিয়েছে, তালিকা থেকে নাম ডিলেট হয়ে যাওয়া মানে এই নয় যে আপনার ভোট দেওয়ার অধিকার শেষ হয়ে গেছে।  যদি ভুলবশত বা কোনো গাফিলতির কারণে আপনার নাম বাদ গিয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আপনি সেই অধিকার ফিরে পেতে পারেন।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

মূলত নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের নমিনেশন জমা দেওয়ার শেষ দিনে ভোটার তালিকা ‘লক’ বা ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। কিন্তু এবার সুপ্রিম কোর্ট তার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করে বাদ পড়া ভোটারদের আরও একবার সুযোগ দিচ্ছে।  এরজন্য শর্ত একটাই—আপনাকে ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পেতে হবে।  অর্থাৎ যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের পরিচয়পত্র ও জরুরি কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে যেতে হবে।  সেখানে গিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি ওই এলাকার সঠিক ভোটার এবং আপনার নাম ভুল করে কাটা হয়েছে।  আপনার প্রমাণ দেখে বিচারক বা অফিসার যদি সন্তুষ্ট হয়ে আপনাকে ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে রায় দেন, তবেই আপনি এই সুযোগ পাবেন।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের এলাকায় ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল যদি আগামী ২১ এপ্রিলের মধ্যে আপনার যাবতীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে নতুন করে তালিকায় নাম তুলে দেয়, তবেই আপনি ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।  একইভাবে, যাঁদের এলাকায় ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল থেকে নাম তোলার শেষ সময়সীমা হলো ২৭ এপ্রিল।  অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট দফার ভোটের ঠিক দুই দিন আগে পর্যন্ত যদি ট্রাইব্যুনাল আপনার নাম তালিকায় তোলার অনুমোদন দিয়ে দেয়, তবেই আপনি এই নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, যাঁদের নাম এই ট্রাইব্যুনালে ছাড়পত্র পাবে, তাঁদের জন্য শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনএকটি সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বা অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে।  তবে মনে রাখতে হবে, যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনালে বাদ যাবে, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। যদিও ইতিমধ্যে ট্রাইব্যুনালের কাজ শুরু হয়ে গেছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিহারের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।  বিশেষ করে, বাংলায় লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি (Logical Discrepancy) নামে একটি নতুন ক্যাটাগরি চালু করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।