বিধানসভা নির্বাচনের আবহে আই-প্যাক (I-PAC)-এর কাজ স্থগিত রাখার খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে উড়িয়ে দিল শাসকদল তৃণমূল। ১৯ এপ্রিল এক বিবৃতিতে দল জানিয়েছে, পরামর্শদাতা সংস্থাটি রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে এবং বুথ স্তরে তৃণমূলের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, আই-প্যাক তাদের পশ্চিমবঙ্গের কাজকর্ম ২০ দিনের জন্য স্থগিত রেখেছে। এমনকি কর্মীদের একটি ইমেলের মাধ্যমে সাময়িক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জল্পনা ছড়ায়। কিন্তু তৃণমূল এই খবরকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানিয়েছে, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা প্রচার।
দলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, নির্বাচনের যাবতীয় পরিকল্পনা ও প্রচার কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিত সূচি মেনেই চলছে এবং আই-প্যাকের কর্মীরা তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গেই মাঠে রয়েছেন। মূলত নির্বাচনের মুখে সাধারণ ভোটার ও কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতেই এই ধরণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি ঘাসফুল শিবিরের। তৃণমূলের মতে, কোনোদিন অপপ্রচার বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বাংলার জনমতকে বদলে দেওয়া যাবে না এবং আসন্ন ভোটের মাধ্যমেই মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবেন।
প্রসঙ্গত, এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল কয়লা পাচার মামলায় আই-প্যাকের ডিরেক্টর বিনেশ চান্দেলকে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি (ED) গ্রেপ্তার করার পর। যদিও তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এই গ্রেপ্তারির নিন্দা জানিয়ে একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
