তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার সময় ছিল ১.৯২ লক্ষ কোটি, এখন ঋণ ৭ লক্ষ কোটি ছাড়িয়েছে; দেনার খতিয়ান তুলে শাসকদলকে বিঁধলেন শমীক

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে জোরদার প্রচারে নেমেছে বিজেপি।  একের পর এক জনসভায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণের তোপ দাগছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা।  সেই ধারাই বজায় রেখে শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের বেহাল আর্থিক দশা ও ঋণের পাহাড় নিয়ে শাসকদলকে তুলোধোনা করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

শমীক ভট্টাচার্য এদিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, “২০১১ সালে যখন তৃণমূল ক্ষমতায় আসে, তখন রাজ্যের ঋণ ছিল ১ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা।  অথচ গত ১৫ বছরে সেই ঋণের বোঝা কয়েক গুণ বেড়ে বর্তমানে ৭ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, সরকার আয় বাড়ানোর বদলে কেবল ধারের ওপর ভরসা করে চলছে। তাঁর প্রশ্ন, এত বিপুল ঋণ নেওয়া হলেও রাজ্যে নতুন কোনো কলকারখানা বা বড় পরিকাঠামো তৈরি হলো না কেন? উন্নয়নমূলক কাজের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচার ও অনুদানেই এই টাকা বেশি খরচ হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

এছাড়াও এদিন তিনি রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত ১৫ বছরে রাজ্যে প্রায় ৭৯ হাজার কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।  এক হাজারেরও বেশি কোম্পানি ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পথে। বহু বড় কোম্পানি তাদের সদর দপ্তর অন্য রাজ্যে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।  এর ফলে রাজ্যের মেধা, পুঁজি এবং শ্রম তিনটিই বাইরের রাজ্যে চলে যাচ্ছে, যা বাংলার ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ।

একই অনুষ্ঠান থেকে তিনি সাংবাদিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষার প্রতিশ্রুতিও দেন।  তিনি জানান, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের মাসিক ৫,০০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করবে।  রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সকল যোগ্য সাংবাদিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন বলে তিনি আশ্বাস দেন।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।