★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন

যন্তর মন্তর-কাণ্ডে স্বস্তি সিজেপির, জেল থেকে মুক্তি পেলেন সৌরভ ও আশুতোষ

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
3 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তারের পর অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) র দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন। বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তাঁদের জেলে থাকতে হয়েছিল।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

১৪ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। ১৯ অক্টোবর সেই হেফাজতের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়। এর পরেও মুক্তি না মেলায় দুই নেতা দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন।

বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন সৌরভ ও আশুতোষ। তবে বুধবার সেই আবেদনের শুনানি করতে রাজি হয়নি উচ্চ আদালত। বিকল্প আইনি পথ গ্রহণ না করে এবং বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের শুনানির জন্য অপেক্ষা না করে কেন তাঁরা সরাসরি হাই কোর্টে এসেছেন, সেই প্রশ্ন তোলে আদালত। এরপর আবেদন প্রত্যাহার করে নেন দুই নেতা। পরে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তা সত্ত্বেও ১৩ অক্টোবর ব্যারিকেড টপকে সেখানে প্রবেশ করে বিক্ষোভ দেখান সৌরভ, আশুতোষ-সহ সিজেপির অন্য নেতারা। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তাঁরা স্লোগান দেন। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্য কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হলেও সৌরভ ও আশুতোষকে হেফাজতে রাখা হয়েছিল।

এর আগে দিল্লি হাই কোর্টে শুনানির সময় বিক্ষোভের ধরন এবং তার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ। তাঁর বক্তব্য, বিক্ষোভের সামনের সারিতে থাকা নেতারা ব্যারিকেড ভাঙলে তাঁদের অনুগামীরাও একই পথে এগোতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে উপস্থিত সকলকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

শুনানিতে বিদেশে ছাত্র আন্দোলন থেকে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় পরিণত হওয়া বিক্ষোভের প্রসঙ্গও তোলেন বিচারপতি। পাশাপাশি, শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে জামিন পাওয়ার পর সেই শর্ত মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুই নেতার বয়স জানতে চেয়ে বিচারপতি তাঁদের সংগঠনের উদ্দেশ্য এবং কার্যকলাপ সম্পর্কেও জানতে চান।

সব মিলিয়ে, যন্তর মন্তরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হওয়া সিজেপির দুই নেতা শেষ পর্যন্ত মুক্তি পেলেন। হাই কোর্টে তাঁদের আবেদন প্রত্যাহারের পর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশেই তাঁদের মুক্তির পথ খোলে।

★ Md 360 PVC Print Service ★

প্রিমিয়াম PVC কার্ড অর্ডার করুন

🪪 রেশন • আয়ুষ্মান • আভা • ভোটার

ওয়াটারপ্রুফ • টেকসই • ফাস্ট ডেলিভারি

💬 WhatsApp এ ক্লিক করুন
Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।