নেতাজির উক্তি বিবেকানন্দের নামে! বাংলার মহাপুরুষদের ইতিহাস গুলিয়ে ফেললেন স্বয়ং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে ইতিহাস ভুল বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী! এদিন পুরুলিয়ার নির্বাচনী সভা থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কালজয়ী স্লোগান স্বামী বিবেকানন্দের নামে চালিয়ে বিতর্কে জড়ালেন যোগী।  বাংলার দুই মহাপুরুষের আদর্শ ও উক্তি গুলিয়ে ফেলায় রাজনৈতিক মহলে যেমন হাসির খোরাক হয়েছেন তিনি, তেমনই তৃণমূলের তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছে গেরুয়া শিবির।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

পুরুলিয়ার জয়পুরে আয়োজিত একটি সভায় যোগী আদিত্যনাথ শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বাংলার বীর সন্তানদের মহিমা প্রচার করতে গিয়ে তিনি বলে বসেন, “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।” প্রকৃতপক্ষে, এই অমর উক্তিটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর।

ইতিহাস বিভ্রাটের পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।  তৃণমূলের বিখ্যাত স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “দিদি বলছেন ‘খেলা হবে’, কিন্তু আমরা বলছি বাংলায় ‘বিকাশ হবে’।” তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গত কয়েক বছরে বাংলা উন্নয়নে পিছিয়ে পড়েছে এবং বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরপ্রদেশের মতোই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

যোগীর এই ভুলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় তৃণমূল।  শাসক দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিজেপি নেতারা বাংলার সংস্কৃতি এবং ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান রাখেন না।  তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র থেকে শুরু করে দলের অফিসিয়াল হ্যান্ডেলে এই ঘটনাকে “বাংলার প্রতি অপমান” বলে অভিহিত করা হয়েছে।

তবে বিতর্ক দানা বাঁধার আগেই পরবর্তী জনসভায় (গড়বেতা) যোগী আদিত্যনাথ নিজের ভুলটি সংশোধন করে নেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের ডাকটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছিল।

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।