বাংলার ভোটে বাহিনীর পাহাড়, এই জওয়ানরা কাশ্মীরে থাকলে প্রাণহানি রোখা যেত! সরব কীর্তি আজাদ

Ealiash Rahaman
By
Ealiash Rahaman
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।
2 Min Read
WhatsApp_Group
সব খবর মোবাইলে পেতে Whatsapp গ্রুপে জয়েন্ট করুন

দুর্গাপুর: একদিকে বাংলার ভোটে মোড়ে মোড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারা, আর অন্যদিকে দেশের সীমান্তে জওয়ানদের মৃত্যু এই দুই ছবি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে কড়া আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ।  বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় দুর্গাপুরে ভোট দিতে এসে মেজাজ হারালেন তিনি।  সংবাদমাধ্যমের সামনে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, বাংলায় ভোটের নামে যে পরিমাণ বাহিনী ব্যবহার করা হচ্ছে, তার সিকিভাগ দেশের সীমান্তে থাকলে অকালে প্রাণ যেত না ২৬ জন সেনার।

Join WhatsApp Channel Join Now
Telegram Group Join Now

এদিন শুধু সংবাদমাধ্যমেই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব হন তৃণমূল সাংসদ। নিজের ভোট দেওয়ার একটি ছবি শেয়ার করে তিনি আক্ষেপের সুরে লেখেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের সেই লক্ষ লক্ষ ভোটারের জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে, যারা নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।

কীর্তির অভিযোগ, বাংলা দখলের নেশায় নির্বাচন কমিশন এ রাজ্যে যে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে, তা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার ভারসাম্য নষ্ট করছে।  কাশ্মীরে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় জওয়ানদের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বাংলার ভোটে আজ যত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, তাদের যদি কাশ্মীরে রাখা হতো, তবে ওই ২৬ জন জওয়ানের প্রাণ অকালে যেত না।” এমনকি দিল্লির লালকেল্লার নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার।

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আজাদ পরিসংখ্যানের তুলনা টানেন। তিনি দাবি করেন, যেখানে গোটা দেশের লোকসভা নির্বাচনে ৩.৪ লক্ষ বাহিনী ব্যবহৃত হয়েছিল, সেখানে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য ২.৪ লক্ষ বাহিনী কেন? তাঁর কথায়, “কমিশন এখন আদতে বিজেপির একটি অঙ্গে পরিণত হয়েছে। বাংলাকে টার্গেট করতেই এই অতি-সক্রিয়তা।”

Share This Article
বিগত প্রায় পাঁচ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ার কাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও বিদেশের সমস্ত রকম খবরাখবর রাখতে ও তা প্রতিবেদন আকারে লিখতে অভ্যস্থ।